মঙ্গলবার, ১৭ মে ২০২২, ০৭:১৯ পূর্বাহ্ন
ঘোষণা:
পরিবর্তনের অঙ্গীকারে আপনাকে স্বাগতম। সময়ের বহুল প্রচারিত বস্তুনিষ্ঠ ও নির্ভরযোগ্য  ভিন্নধারার নিউজ পোর্টাল "পরিবর্তনের অঙ্গীকার"। অতি অল্প দিনে পাঠক নন্দিত হয়ে উঠেছে। বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের লক্ষে কাজ করছে এক ঝাঁক তরুণ, মেধাবী ও অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী। দেশ-বিদেশের সকল খবরাখবর কারেন্ট আপডেট জানাতে দেশের জেলা, উপজেলা এবং বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে সংবাদ প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে।  ছবিসহ জীবন বৃত্তান্ত (সি ভি)পাঠাতে হবে। ই-মেইল: khalidsyful@gmail.com , মোবাইল : ০১৮১৫৭১৭০৩৪

সামাজিক নিরাপত্তা ও উন্নয়ন খাতে বরাদ্দ ৬শ মে:টন চাল আত্মসাতের দায়ে দুদকের মামলা

কুষ্টিয়া অফিস // নিজস্ব প্রতিনিধি / ৭৬ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২২, ৬:০৬ অপরাহ্ন

সামাজিক নিরাপত্তা ও উন্নয়ন খাতে বরাদ্দ ৬শ মে:টন চাল আত্মসাতের দায়ে দুদকের মামলা

দীর্ঘদিন ধরে নানা অনিয়ম ও দূর্নীতিতে জড়িত এমন অভিযোগ তদন্তে সামাজিক উন্নয়ন খাতে বরাদ্ধ সরকারী ত্রাণ(জিআর)র ৬শ মে:টন চাল যার আর্থিক মূল্য ২কোটি ১৮হাজার টাকা সমপরিমান আত্মসাতের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আশরাফ হোসেন(৩৮) এবং অফিস সহকারী সাইফুর রহমানের(৪৫) বিরুদ্ধে মামলা করেছে সমন্বিত জেলা দুনীতি দমন কমিশন দুদক কুষ্টিয়া।

মঙ্গলবার দুপুরে চুয়াডাঙ্গা জেলা ও দায়রা জজ (বিশেষ জজ) জিয়া হায়দার এর আদালতে দুদক সদর দপ্তরের উপ-পরিচালক আব্দুল মাজেদ বাদি হয়ে মামলাটি করেন। মামলা নং ০৫, তারিখ ০৮/০২/২০২২।

এমামলায় এজাহারভুক্ত আসামীগণ হলেন- রাজবাড়ী সদর উপজেলার সজ্জনকান্দা(বড়পুল) গ্রামের বাসিন্দা মৃত: আমজাদ হোসেনের ছেলে বর্তমানে দামুড়হুদা উপজেলার পিআইও আশরাফ হোসেন এবং চুয়াডাঙ্গার জীবন নগর উপজেলার মৃত: আমীর হোসেন মালিকের ছেলে অফিস সহকারী সাইফুর রহমান মালিক।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালের ০১ সেপ্টেম্বর হতে ২০১৬ সালের ৩১ডিসেম্বর সময়কালে চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলায় প্রকল্প বাস্তবায়ন (পিআইও) অফিসে কর্মরত থাকাকালীন পরষ্পর যোগসাজসে সামাজিক নিরাপত্তা ও উন্নয়ন খাতে সরকারী বরাদ্ধপ্রাপ্ত ৬শ মে:টন চাল যার আর্থিক মূল্য ২কোটি ১৮লাখ ১হাজার টাকা ভুয়া মাষ্টার রোল এবং বিল ভাওচার তৈরীর মাধ্যমে আত্মসাৎ করেন। তদন্তকালে এঘটনার প্রাথমিক সত্যতা নিশ্চিত হন দুদক। এতে দ:বি: র ৪০৯/১০৯/৪৬৭/৪৬৮/৪৭১ ধারা তৎসহ ২০০৪ সালের দুদক আইনের ২ধারায় অপরাধ সংঘটিত হয়েছে বলে দুদকে কাছে প্রতীয়মান হয়।

সমন্বিত জেলা দুর্নীতি দমন কমিশন সজেকা কুষ্টিয়ার কৌঁসুলি এ্যাড: আল মুজাহিদ হোসেন মিঠু ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর