মঙ্গলবার, ১৭ মে ২০২২, ০৩:১০ পূর্বাহ্ন
ঘোষণা:
পরিবর্তনের অঙ্গীকারে আপনাকে স্বাগতম। সময়ের বহুল প্রচারিত বস্তুনিষ্ঠ ও নির্ভরযোগ্য  ভিন্নধারার নিউজ পোর্টাল "পরিবর্তনের অঙ্গীকার"। অতি অল্প দিনে পাঠক নন্দিত হয়ে উঠেছে। বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের লক্ষে কাজ করছে এক ঝাঁক তরুণ, মেধাবী ও অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী। দেশ-বিদেশের সকল খবরাখবর কারেন্ট আপডেট জানাতে দেশের জেলা, উপজেলা এবং বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে সংবাদ প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে।  ছবিসহ জীবন বৃত্তান্ত (সি ভি)পাঠাতে হবে। ই-মেইল: khalidsyful@gmail.com , মোবাইল : ০১৮১৫৭১৭০৩৪

কুষ্টিয়া জেলা অনলাইন প্রেসক্লাবের উদ্যোগে মাহবুবের ১৭ তম মৃত্যু বার্ষিকী পালিত

কুষ্টিয়া অফিস/ নিজস্ব প্রতিনিধি / ৭৪ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
আপডেট টাইম : শনিবার, ২১ আগস্ট, ২০২১, ৯:২৭ অপরাহ্ন

২০০৪ সালের ২১ আগস্ট নারকীয় গ্রেনেড হামলায় নিহত  মাহবুব রশিদের ১৭ তম মৃত্যু বার্ষিকী ও সকল  শহীদের স্মরণে  আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল কুষ্টিয়া জেলা অনলাইন প্রেসক্লাবের আয়োজনে কুষ্টিয়া ইসলামিয়া কলেজের সামনে  সংযোগ ২৪ অফিসে ২১ শে আগস্টের বুলেটে নিহত মাহবুব রশীদের ১৭তম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। কুষ্টিয়ার মানুষ জীবন দিয়ে হলেও প্রমান দিয়ে গেছে তারা অকৃতজ্ঞ নহে। ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে যখন গ্রেনেডের তান্ডব তখন শেখ হাসিনাকে নিরাপদে গাড়িতে তুলে দিয়ে ঘাতকের বুলেটবিদ্ধ হয়ে রাজপথে লুটিয়ে পড়েন বিশ্বস্ত দেহরক্ষী মাহবুব। নিভে যায় তার জীবন প্রদীপ। সেদিনের সেই বুলেটটি দেহরক্ষী মাহবুবকে স্পর্শ না করলে কেড়ে নিতে পারত বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জীবন। শোকাবহ আগস্টে ও ২১শে আগস্টে শহীদদের স্মরনে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামী লীগের সংগ্রামী সাধারন সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আজগর আলী। প্রধান অতিথি তার বক্তেব্যে বলেন, মাহবুবের বাড়ি কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলার ফুলবাড়িয়া গ্রামে। মাহবুবকে নিয়ে কুষ্টিয়ার মানুষ গর্ব করতে পারে। ২০০৪ সালে ২১ শে আগস্টে ছোড়া বুলেটে জীবন দিয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভানেত্রী ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কে নিশ্চিত মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা করেছিলেন কুষ্টিয়ার সন্তান দেহরক্ষী মাহবুব রশীদ। গ্রেনেড হামলায় ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন জননেত্রী শেখ হাসিনা তার বুলেট প্র“ফ গাড়ির দরজার সামনে দাঁড়িয়ে আছেন। মাহবুব তাকে গাড়িতে প্রবেশ করতে অনুরোধ জানান। কিন্তু শেখ হাসিনা মাহবুবকে চিৎকার করে বলে, ”না আমি যাবো না, ওরা মারে আমাকে মারুক।” নেত্রীর সে কথায় কান না দিয়ে মাহবুব বুক দিয়ে আগলে গাড়ির মধ্যে তাকে ঠেলে দেন। আর ঠিক এ সময় ঘাতকের একটি বুলেট তার মাথার পেছন দিয়ে প্রবেশ করে মুখ দিয়ে বেরিয়ে যায়। সঙ্গে সঙ্গে আরো কয়েকটি গুলি তার বুককে বিদ্ধ করে। সেখানেই পড়ে থাকেন জননেত্রীর দেহরক্ষী মাহবুব। কিছুক্ষণ পর সেখান থেকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হলে দ্রুত উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়। কিন্তু সব চেষ্টা বিফল হয়। ২১ আগস্ট রাতেই মাহবুব মারা যান। ১৬ বছর পর, ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট আবার ভাইদের কাছে ঋণী হয়েছেন শেখ হাসিনা। সেদিনকার হামলা আরো ভয়ানক ছিলো। গুলির পাশাপাশি ছিলো আর্জেস গ্রেনেড। তুমুল বিস্ফোরণেও শেখ হাসিনার ভাইয়েরা ভুলে যায়নি তাদের প্রতিজ্ঞা। শরীরে অজস্র স্পিলন্টার আর বুলেটের গর্ত নিয়েও দাঁড়িয়ে ছিল এক মানব দেওয়াল। মৃত্যু দিয়ে শেখ হাসিনার নিশ্চিত মৃত্যুকে ফিরিয়েছিলেন তারা। তাদের ঋন কখনো শোধ হবার নয়। আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বিজয় নিউজ টিভির চেয়ারম্যান ও বিজয়নিউজ২৪ এর সম্পাদক শামসুল আলম স্বপন,  কুষ্টিয়া জেলা অনলাইন প্রেসক্লাবের সভাপতি এ্যাড রফিকুল ইসলাম সবুজ ও সাধারন সম্পাদক ও কুষ্টিয়া থেকে প্রকাশিত দৈনিক সুত্রপাতের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক  ও সংযোগ২৪.কম এর সম্পাদক ও প্রকাশক শেখ নাজমুল হোসেন। ও কুষ্টিয়া জেলা অনলাইন প্রেসক্লাবের মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা শ্যামলী ইসলাম ও কুষ্টিয়া জেলা বিএনএফ এর সহ-সভাপতি মোশাররফ হোসেন ও পরিবর্তনের অঙ্গীকারের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ও দৈনিক সুত্রপাতের সিনিয়র স্টার্ফ রিপোর্টার খালিদ সাইফুল ও দৈনিক ভোরের আলোর কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধি ও দৈনিক সুত্রপাতের সিনিয়র স্টার্ফ রিপোর্টার রাসেল আহমেদ ও দৈনিক সুত্রপাতের স্টার্ফ রিপোর্টার আব্দুল কাদের ও ফটো সাংবাদিক পলাশ আহমেদ প্রমুখ। অনুষ্ঠানের আলোচনা সভা শেষে শোকাবহ আগস্ট ও ২১শে আগস্টের শহীদদের স্মরনে দোয়া পরিচালনা করেন কুষ্টিয়া জেলা বিএনএফ এর ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক হাফেজ মাওলানা আবুল খায়ের।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর