শুক্রবার, ০৭ অক্টোবর ২০২২, ০১:১৭ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
সংবাদ শিরোনাম
স্বামীকে জবাই করে হত্যা, পূর্বের স্বামীসহ ২য় স্ত্রী গ্রেফতার, ব্যবহৃত চাকু উদ্ধার ‘কৃষকের বাতিঘর’ আলো ছড়াচ্ছে কৃষকের মাঝে ভুয়া নিয়োগপত্র দিয়ে কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ কুষ্টিয়ায় অটোরিক্সা ছিনতাই ও চালককে হত্যা মামলায় ১ জনের মৃত্যু, ও ২জনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড কুষ্টিয়ায় স্কুল ছাত্রীকে গণধর্ষন মামলায় এজাহার নামীয় যুবক গ্রেফতার কুষ্টিয়ায় জবাই করে হত্যার অভিযোগ স্ত্রী’র বিরুদ্ধে উশৃঙ্খল জীবন যাপনকে দুষছে পুলিশ চাল ভেজালে ঠকছে ক্রেতা, বঞ্চিত পুষ্টিমানেও মালিক-শ্রমিক দ্বন্দে বাস বন্ধ,ভোগান্তিতে যাত্রীরা বিধি বহিভূত ভাবে কুষ্টিয়া হাই স্কুলের দেড়শো বছরের পুকুর ভরাট চলছে কুষ্টিয়ার বিয়ের পরদিন যুবকের লাশ উদ্ধার
ঘোষণা:
পরিবর্তনের অঙ্গীকারে আপনাকে স্বাগতম। সময়ের বহুল প্রচারিত বস্তুনিষ্ঠ ও নির্ভরযোগ্য  ভিন্নধারার নিউজ পোর্টাল "পরিবর্তনের অঙ্গীকার"। অতি অল্প দিনে পাঠক নন্দিত হয়ে উঠেছে। বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের লক্ষে কাজ করছে এক ঝাঁক তরুণ, মেধাবী ও অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী। দেশ-বিদেশের সকল খবরাখবর কারেন্ট আপডেট জানাতে দেশের জেলা, উপজেলা এবং বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে সংবাদ প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে।  ছবিসহ জীবন বৃত্তান্ত (সি ভি)পাঠাতে হবে। ই-মেইল: khalidsyful@gmail.com , মোবাইল : ০১৮১৫৭১৭০৩৪

আজ হরিপুরের সন্তান গায়ক মামুন নদীয়ার ১৫তম প্রয়াণ দিবস

কুষ্টিয়া অফিস // / ৮৮ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ৩১ মে, ২০২২, ৮:৪৩ পূর্বাহ্ন

আমি এক পতিতার প্রেমিক,মেরিনা তুই আমায় কাঁদালি এমন অসংখ্য গানের একজন  মামুন নদীয়া। তৎকালীন কু‌ষ্টিয়া জে‌লা‌কে নদীয়া না‌মে চেনা হ‌তো সেই কার‌ণেই প্রয়াত কণ্ঠ শিল্পী কুষ্টিয়ার গর্ব মুক্তার হোসেন মামুন (মামুন নদীয়া) নামে সুপ‌রি‌চিত ছি‌লো। তি‌নি ছিলেন এ প্রজন্মের একজন জনপ্রিয় বাউল কণ্ঠশিল্পী।

তিনি হরিপুরের বাসিন্দা তাহাজ্জত আলী ওরফে খোকা মিয়ার ছেলে মামুন নদীয়া ডাক নাম মুক্তার। ১৯৬৪ সালের ১৮ই ফেব্রুয়ারী জন্ম গ্রহণ করেন। তার গানের ছিল হাজারো ভক্ত। এখনও তার গান শ্রোতাদের কন্ঠে বেজে ওঠে মধুর সুরে। মেরিনা তুই আমায় কাদালি, আমি এক পতিতার প্রেমী, যারা ঘর ভাঙ্গা নারী, সারাটি জীবন দুঃখ হলো মোর সাথী সহ প্রায় শতাধিক গানের সুরকার ও গীতিকার তিনি নিজেই। গানের পাশাপাশি চিত্র শিল্পী হিসেবেও তিনি বেশ জনপ্রিয় ছিলেন। তিনি ভারতীয় উপমহাদেশে বাউল সঙ্গীত প্রতিযোগিতায় ১১তম স্থান অধিকার করে ছিলেন। অল্প বয়সেই ক্যান্সার রোগে আক্রান্ত হয়ে পরলোক গমন করেন।

তিনি ২০০৭ ইং সালের ৩১শে মে ইন্তেকাল করেন। বাউল সম্রাট লালনের তীর্থ ভুমি কুষ্টিয়া সদর উপজেলার হাটশ হরিপুর ইউনিয়নের বাজারের পাশেই দরবেশ রেজন শাঁহ’য়ের মাজারে গুরু রেজন শাঁহ’র অন্যতম অনুসারী কন্ঠ শিল্পী মামুন নদীয়া চিরশায়িত হোন। মামুন নদীয়া ছিলেন বাংলারই এক নিভৃতচারী বাউল। সর্বদা ধবল রঙের গেরুয়া পড়তেন। চশমা পরিহিত মুখটি ছিল শ্যামল নিষ্পাপ। কথাবার্তার ভঙ্গিটি অত্যন্ত বিনীত। বড় নিঃশব্দে। তাঁর চলে যাওয়ার সময় দেশজুড়ে তেমন আলোরণ ওঠেনি। তিনি তো আর জাগতিক অর্থে‘ ধনী’ এবং ‘বিশিষ্ট’ ব্যক্তি ছিলেন না।

মিডিয়া কখনও তাঁর পিছন পিছন দৌড়ায়নি, তাঁর খোঁজখবরও রাখেনি। তবে তাঁর স্বল্পকালীন জীবনটি পরিপূর্ণভাবে সার্থক হয়ে উঠেছিল। কেননা, জীবদ্দশায় তাঁর পরমের বোধ হয়েছিল। তাই ১৭ই জৈষ্ঠ্য ৩১ই মে এই দিনে মরমী গায়ক মামুন নদীয়ার ভালবাসায় দূরদূরান্ত থেকে রেজন শাহ মাজারে মামুন নদীয়ার সমাধিস্থলের পাশেই চলে সাধুদের মিলন মেলা। দরবেশ রেজন শাহ মাজার কমিটির উদ্দ্যোগে এই আয়োজন করা হয়। সাধুদের সম্মানে আয়োজন করা হয় সাধু সেবা। কিন্তু এই গুণী ব্যক্তির স্মৃতি সংরক্ষণে নেই কোন উদ্দ্যোগ। তাই মামুন নদীয়ার ভক্ত ও শুভকাঙ্খীদের দাবি মরমী গায়ক মামুন নদীয়ার স্মৃতি রক্ষার পাশাপাশি মামুন নদীয়া একাডেমি করা হোক, মামুন নদীয়ার গানগুলো সংরক্ষনের উদ্দ্যোগ নেওয়া, স্মৃতি রক্ষায় জাদুঘর প্রতিষ্ঠা করা সহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার জোর দাবী করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর