রবিবার, ২৬ মে ২০২৪, ১০:৪৫ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
সংবাদ শিরোনাম
কুষ্টিয়ায় কিশোর গ্যাং লিডার সুরুজের ছুরিকাঘাত কুষ্টিয়ায় নির্বাচনত্তোর সহিংসতায় আ’লীগ নেতার পিস্তলে গুলিবিদ্ধ-২ নড়াইলের কলোড়া ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত জাতীয় মানবাধিকার অ্যাসোসিয়েশন বগুড়া জেলা কমিটির উদ্যোগে ইফতার মাহফিল কুষ্টিয়া আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের চিত্র পাল্টে গেছে নওয়াপাড়া পৌরসভার কর্মচারীসহ ৫জনের নামে থানায় অভিযোগ দায়ের করলেন পৌর মেয়র যশোরের অভয়নগরে সাংবাদিক মোঃ আবুল বাসার এর ওপর সন্ত্রাসী হামলা থানায় অভিযোগ অসহায় শারীরিক প্রতিবন্ধী কোহিনুরের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে দিতে ইউপি চেয়ারম্যানের সঙ্গে সাক্ষাৎ নওয়াপাড়া প্রেসক্লাবের বার্ষিক বনভোজন ও মিলন মেলা অনুষ্ঠিত দৈনিক লিখনী সংবাদ পত্রিকার বার্ষিক বনভোজন অনুষ্ঠিত
ঘোষণা:
পরিবর্তনের অঙ্গীকারে আপনাকে স্বাগতম। সময়ের বহুল প্রচারিত বস্তুনিষ্ঠ ও নির্ভরযোগ্য  ভিন্নধারার নিউজ পোর্টাল "পরিবর্তনের অঙ্গীকার"। অতি অল্প দিনে পাঠক নন্দিত হয়ে উঠেছে। বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের লক্ষে কাজ করছে এক ঝাঁক তরুণ, মেধাবী ও অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী। দেশ-বিদেশের সকল খবরাখবর কারেন্ট আপডেট জানাতে দেশের জেলা, উপজেলা এবং বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে সংবাদ প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে।  ছবিসহ জীবন বৃত্তান্ত (সি ভি)পাঠাতে হবে। ই-মেইল: khalidsyful@gmail.com , মোবাইল : ০১৮১৫৭১৭০৩৪

অর্থের অভাবে চার সন্তানের লাশ চেয়ে চেয়ে দেখলেন একসঙ্গে জন্ম নেওয়া পাঁচ সন্তানের জনক সোহেল

কুষ্টিয়া অফিস / ১৪৪ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ৪ নভেম্বর, ২০২১, ৩:৫৯ অপরাহ্ন

অর্থের অভাবে চার সন্তানের লাশ চেয়ে চেয়ে দেখলেন
একসঙ্গে জন্ম নেওয়া পাঁচ সন্তানের জনক সোহেল

 কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার পান্টি ইউনিয়নের পান্টি গ্রামের সাদিয়া (২৪) নামে এক মা পাঁচ সন্তানের জন্ম দিয়েছেন গত মঙ্গলবার। একসঙ্গে চার মেয়ে ও এক ছেলের জন্ম হলেও একে একে মারা গেছে চার সন্তান
। বুধবার বেলা সাড়ে ১০টার দিকে প্রথম মারা যায় ছেলে সন্তানটি। পরে একে একে বুধবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত আরও দুই সন্তানসহ মোট তিন সন্তান মারা যায়, তারপর বৃহস্পতিবার সকালে আরও একজন মারা গেলে পাচটির মধ্যে চারটিই মারা যায়। শিশুদের বাবা জানান উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেয়ার পরামর্শ দিয়েছিলো চিকিৎসকরা, আমার টাকা থাকলে হয়তো এমনটা হতো না।

শিশুদের বাবা সোহেল রানা বলেন, আমার চারটি সন্তান মারা গেছে। খুবই কষ্ট লাগছে। আর বাকি এক মেয়ে শিশুও ঝুঁকিতে আছে। স্ক্যানো ওয়ার্ডে তাদের অক্সিজেন চলছে। তবে তাদের মা সুস্থ আছে। শিশুর ওজন কম হওয়ায় ঢাকায় নিয়ে যেতে বলেছেন চিকিৎসক। কিন্তু অর্থের অভাবে ঢাকায় নিতে পারিনি।

শিশুদের দাদা সামাদ আলী বলেন, চার শিশু মারা গেছে। তাদের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। গ্রামের গোরস্থানে আলাদাভাবে তাদের দাফন করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, আমরা দরিদ্র, আমাদের অর্থনৈতিক অবস্থা ভালো না। ছেলে সোহেলের চা দোকানের আয়ে সংসার চলে। টাকার অভাবে শিশুদের ঢাকায় নিয়ে যেতে পারিনি। যদিও চিকিৎসকরা প্রথম থেকেই ঢাকায় নেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। টাকার অভাব না থাকলে হয়তো শিশুদের ঢাকায় নিয়ে যেতে পারতাম। সবগুলো শিশু একসঙ্গে বেড়ে উঠলে ভালো লাগতো।

কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. আশরাফুল আলম বলেন, গর্ভধারণের পাঁচ মাসের মাথায় জন্ম নেওয়া শিশুদের ওজন স্বাভাবিকের চেয়ে কম ছিল। বাচ্চাদের ওজন ৪৩০ গ্রাম থেকে ৬৫০ গ্রামের মধ্যে। তিনি আরও বলেন, জন্ম নেওয়া শিশুদের চারজন মারা গেছে। বুধবার সকালে একমাত্র ছেলে সন্তানটি ও বিকেলে আরও দুই কন্যা সন্তান এবং বৃহস্পতিবার সকালে আরও এক কন্যা সন্তান হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর