মঙ্গলবার, ১৭ মে ২০২২, ০৬:২৬ পূর্বাহ্ন
ঘোষণা:
পরিবর্তনের অঙ্গীকারে আপনাকে স্বাগতম। সময়ের বহুল প্রচারিত বস্তুনিষ্ঠ ও নির্ভরযোগ্য  ভিন্নধারার নিউজ পোর্টাল "পরিবর্তনের অঙ্গীকার"। অতি অল্প দিনে পাঠক নন্দিত হয়ে উঠেছে। বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের লক্ষে কাজ করছে এক ঝাঁক তরুণ, মেধাবী ও অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী। দেশ-বিদেশের সকল খবরাখবর কারেন্ট আপডেট জানাতে দেশের জেলা, উপজেলা এবং বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে সংবাদ প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে।  ছবিসহ জীবন বৃত্তান্ত (সি ভি)পাঠাতে হবে। ই-মেইল: khalidsyful@gmail.com , মোবাইল : ০১৮১৫৭১৭০৩৪

কুমারখালীতে চাচার বাড়ির রাস্তা বন্ধ করলো ভাতিজারা

কুষ্টিয়া অফিস / ১৭১ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
আপডেট টাইম : সোমবার, ৪ অক্টোবর, ২০২১, ১২:৪০ পূর্বাহ্ন

কুমারখালীতে চাচার বাড়ির রাস্তা বন্ধ করলো ভাতিজারা

কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার যদুবয়রাতে চাচার বাড়ির রাস্তা বেড়া দিয়ে বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ভাতিজার (ভাইয়ের ছেলে) বিরুদ্ধে।

কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার যদুবয়রা ইউনিয়নের দক্ষিণ ভবানীপুর গ্রামের মৃত বিয়াকুল হোসেনের ছেলে মো. গোলাম রসুলের বাড়ি থেকে বের হওয়ার রাস্তা মারধর করে জোড়পূর্বক বন্ধ করে দিয়েছে ভাই ও ভাতিজারা ( ভাইয়ের ছেলে) ।

স্থানীয় ব্যক্তি ও ভুক্তভোগী মো. গোলাম রসূল সূত্রে জানা যায়, একই উপজেলার যদুবয়রা ইউনিয়নের দক্ষিণ ভবানীপুর গ্রামের মৃত বিয়াকুল হোসেনের ছেলে গিয়াস উদ্দিন ঝন্টু ও ওপর ভাই মৃত আনছার উদ্দিনের দুই ছেলে মো. ফরিদ শেখ ও মো. ফরহাদ শেখের সাথে দীর্ঘদিন ধরে মো. গোলাম রসূলের সাথে জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিলো। মো. গোলাম রসূলের পিতা ২০০৫ সালে মৃত্যুর পর তার বড় ভাই মো. আনছার উদ্দিনের নেতৃত্বে পিতার রেখে যাওয়া সম্পত্তি বন্টন পূর্বক ভাই ও ভাতিজারা (ভাইয়ের ছেলে) ভোগদখল করে আসছিলো। কিন্তু বড় ভাই আনছার উদ্দিনের মৃত্যুর পর ওয়ারিশ সূত্রে তার সন্তানেরা সম্পত্তির মালিক হন। দক্ষিণ ভবানীপুর মৌজার আর এস খতিয়ান দাগ নম্বর- ১০৮৮, জমির পরিমান ২৯ শতক এর মধ্যে ২৮ শতক এবং একই মৌজার আর এস খতিয়ান নম্বর-৪৮৮, দাগ নম্বর-১০৮৯, জমির পরিমান ১১ শতকের মধ্যে ৪ শতক বন্টন অনুযায়ী মো. গোলাম রসূল দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে ভোগ দখল করে আসছিলো। কিন্তু মৃত বিয়াকুল হোসেনের ছেলে গিয়াস উদ্দিন ঝন্টু ও ওপর ভাই মৃত আনছার উদ্দিনের দুই ছেলে মো. ফরিদ শেখ ও মো. ফরহাদ শেখ জোড় করে সেই জমি দখলের চেষ্টা করে। পরবর্তীতে স্থানীয় ইউপি সদস্য ও গ্রামের গণ্যমান্য ব্যক্তিরা মিলে আমিনের (সার্ভেয়ার) মাধ্যমে মৃত বিয়াকুল হোসেনের ছেলে গিয়াস উদ্দিন ঝন্টু ও ওপর ভাই মৃত আনছার উদ্দিনের দুই ছেলে মো. ফরিদ শেখ ও মো. ফরহাদ শেখের উপস্থিতি ও সম্মতিতে জমির সীমানা মেপে কনক্রিটের খুঁটি পুতে মো. গোলাম রসূলের দখলে বুঝিয়ে দিয়ে যায়। কিন্তু পরবর্তীতে গত ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১ সকাল সাড়ে ৭ টার দিকে জমির সীমানায় পুতে রাখা সীমানা নির্ধারনের খুঁটি মৃত বিয়াকুল হোসেনের ছেলে গিয়াস উদ্দিন ঝন্টু ও ওপর ভাই মৃত আনছার উদ্দিনের দুই ছেলে মো. ফরিদ শেখ ও মো. ফরহাদ শেখ মিলে তুলে ফেলে দেয় এবং মো. গোলাম রসূলের বাড়ি থেকে বাইরে বের হওয়ার মূল রাস্তা বাঁশের বেড়া দিয়ে বন্ধ করে দেয়। এসময় বেড়া দিতে বাঁধা দেওয়ায় মো. গোলাম রসূলকে মারধর করা হয়।

এব্যাপারে ভুক্তভোগী মো. গোলাম রসূল জানান, আমার আব্বার মৃত্যুর পর বড় ভাই মো. আনছার উদ্দিনের নেতৃত্বে পিতার রেখে যাওয়া সম্পত্তি ভাগবাটোয়ারা করে দেয় আমরা সে অনুযায়ী আমাদের জমিজমা ভোগদখল করে আসছিলাম কিন্তু বড় ভাই আনছার উদ্দিনের মৃত্যুর পর থেকেই তারা আমার দখলে থাকা জমি দখল করার চেষ্টা করে আসছে। গত ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১ সকাল সাড়ে ৭ টার দিকে জমির সীমানায় পুতে রাখা সীমানা নির্ধারনের খুঁটি তার ভাই গিয়াস উদ্দিন ঝন্টু ও ওপর ভাই মৃত আনছার উদ্দিনের দুই ছেলে মো. ফরিদ শেখ ও মো. ফরহাদ শেখ মিলে তুলে ফেলে দেয় এবং আমার বাড়ি থেকে বাইরে বের হওয়ার মূল রাস্তা বাঁশের বেড়া দিয়ে বন্ধ করে দেয়। এসময় তাদের বাঁধা দিতে গেলে আমাকে মারধর করে।

এ বিষয়ে কুমারখালী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। জিডি নম্বর-১৪৭৩। তারিখ-২৭/০৯/২০২১।

এ বিষয়ে কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুজ্জামান তালুকদার বলেন, কারো বাড়ি থেকে বের হওয়ার রাস্তা আটকানো অমানবিক। এ ব্যাপারে তদন্ত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর