মঙ্গলবার, ১৭ মে ২০২২, ০৭:৫৯ পূর্বাহ্ন
ঘোষণা:
পরিবর্তনের অঙ্গীকারে আপনাকে স্বাগতম। সময়ের বহুল প্রচারিত বস্তুনিষ্ঠ ও নির্ভরযোগ্য  ভিন্নধারার নিউজ পোর্টাল "পরিবর্তনের অঙ্গীকার"। অতি অল্প দিনে পাঠক নন্দিত হয়ে উঠেছে। বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের লক্ষে কাজ করছে এক ঝাঁক তরুণ, মেধাবী ও অভিজ্ঞ সংবাদকর্মী। দেশ-বিদেশের সকল খবরাখবর কারেন্ট আপডেট জানাতে দেশের জেলা, উপজেলা এবং বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে সংবাদ প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে।  ছবিসহ জীবন বৃত্তান্ত (সি ভি)পাঠাতে হবে। ই-মেইল: khalidsyful@gmail.com , মোবাইল : ০১৮১৫৭১৭০৩৪

কুষ্টিয়া কয়া ইউপির চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আরজুর জনপ্রিয়তা শীর্ষে

কুষ্টিয়া অফিস / ৩২৯ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১ জুন, ২০২১, ৪:৪৩ অপরাহ্ন

অঙ্গীকার ডেস্কঃ আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী উপজেলার কয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী নির্বাচনীয় প্রচরণায় শীর্ষস্থানে রয়েছে বিশিষ্ট সমাজসেবক, তরুণ সমাজের অহংকার ও গরিবের বন্ধু রাসেল হোসেন আরজু। আর এই জনপ্রিয়তার দেখে একটি কুচক্রী মহল তার বিরুদ্ধে অপপ্রচারে লিপ্ত হতে দেখা গেছে এটা নিয়ে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনলাইন, প্রিন্ট মিডিয়াতে লেখালেখি করতেও দেখা গেছে।

দিগন্তে উদ্ভাসিত হয়েছে জাতির জনকের প্রতিশ্রুত সােনার বাংলা প্রতিষ্ঠা করার স্বপ্নে রঙিন তবে কণ্টকাকীর্ণ মহাপথ। মহান স্বাধীনতা সংগ্রামের একটি মূলমন্ত্র এবারে সংগ্রাম আমাদের স্বাধীনতার সংগ্রাম” আর সেই সংগ্রাম কে রক্ষ করতে কয়া ইউনিয়ন বাসীর আশার প্রদীপ হয়ে প্রতিটা ঘরে ঘরে জ্বলছে আরজু। দারিদ্র্যতা নির্মূল করা এবং শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও গৃহহীনতার সমস্যা সমাধান করে একটি গণতান্ত্রিক, সুশীল ও সমৃদ্ধশালী ইউনিয়ন গড়ার লক্ষে কয়া ইউনিয়ন বাসী রাসেল হোসেন আরজুকে এবারের নির্বাচনে অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে।

রাসেল হোসেন আরজু কুমারখালী উপজেলা সেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসাবে নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। রাজনৈতিক দিক দিয়ে তার পরিবার আওয়ামী লীগের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত থেকে রাজনীতি করে যাচ্ছেন দীর্ঘদিন ধরে। এই পরিবারটি কখনও আওয়ামী লীগের বিপক্ষে যেতে দেখেনি ইউনিয়ন বাসী সেই সাথে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসাবেও প্রার্থিতা করেননি। আওয়ামীলীগ করার ক্ষেত্রে তার পরিবার অনেক বার হামলা-মামলার শিকারও হয়েছে তবুও দমে যাননি আওয়ামী লীগের রাজনীতি থেকে শক্ত মনোবল আর বুকভরা সাহস নিয়ে লড়ে গেছেন রাসেল হোসেন আরজু ।

এদিকে ইউপি চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী রাসেল হোসেন আরজু প্রতিবেদককে বলেন, আমার পাহাড় সমান জনপ্রিয়তায় দেখে মনগড়া ও ভিত্তিহীন সংবাদ প্রচার করে সুনাম ক্ষুন্ন করার অপপ্রচারে লিপ্ত হয়ে উঠেছেন কয়া ইউনিয়নের কতিপয় কুচক্রী মহল। তিনি আরও বলেন বর্তমান সময়ে কুমারখালী তথা কয়া ইউনিয়নের একজন সহজ সরল পরিচ্ছন্ন কর্মী ও রাজনৈতিক ব্যক্তি হিসাবে হিসেবে ইউনিয়ন বাসীর সুখ-দুঃখের কান্ডারী হয়ে কাজ করে যাচ্ছি।

ইউপি বাসির মুখ থেকে জানা যায়,রাসেল হোসেন আরজু একজন সাদা মনের মানুষ হিসেবে এলাকায় তার জনপ্রিয়তা এখন তুঙ্গে। তার মধ্যে রাজনীতির সঠিক শিষ্টাচার ও ভদ্রতা সবসময় দেখতে আমরা দেখতে পাই। সাংগাঠনিক দক্ষতায় তিনি যেমন সংগঠনের কাছে প্রিয়, ঠিক তেমনি কর্মীদের বিপদে
আপদে সবসময় পাশে দাড়িয়ে কর্মীদের কাছে প্রিয় পাত্র ও আশা ভরসার শেষ আশ্রয়স্থল হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে ইতিমধ্যে।

রাসেল হোসেন আরজুর বাবা ইব্রাহিম আলী ছিলেন কুমারখালী উপজেলা কৃষক লীগের পর পর তিনবার নির্বাচিত সফল সাধারণ সম্পাদক। চারদলীয় বিএনপি
জামায়াতের ভয়াবহ দিনে, আওয়ামীলীগের দুঃসময়ে অত্যাচার ও নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে তাকে চারদলীয় জোট সরকারের আমলে আওয়ামীলীগের
অসংখ্য নেতাকর্মীদের আটক করা হয় তার মধ্যে ইব্রাহিম আলী ও ছিলেন। চারদলীয় জোট সরকারের ভয়াবহ অপারেশন ক্লিন হার্টের সময়ও তিনি আটক হন। সেদিন একই স্থানে আটকিয়ে রাখা হয় বর্তমান আওয়ামীলীগে প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক বানিজ্য মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদকেও। আজও রাসেল হোসেন আরজুর বাবা রাজনীতির প্রতিহিংসায় মিথ্যা মামলায় সাজা প্রাপ্তের শিকার হয়ে কারাবন্দি রয়েছেন।

এছাড়া পৌরসভা নির্বাচনে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের যারা দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন তাদের তালিকা তৈরি করার নির্দেশ দিয়েছেন দলের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি এটাও বলেন কোন কোন পৌরসভায় কারা কারা বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন, এদের কারা মদদ দিচ্ছেন। দলীয় প্রার্থীর বাইরে গিয়ে কারা বিদ্রোহী প্রার্থীর পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন বা কাদের প্ররোচণায় দলের সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করছেন তাদের ব্যাপারে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহের নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এরমধ্যে দলের কেন্দ্রীয় কোনো নেতা বা সংসদ সদস্য আছেন কিনা সে তথ্য তিনি নিতে বলেছেন দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদের। শুধু বিদ্রোহী প্রার্থীই নয়, যারা দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে বিদ্রোহীদের মদদ দিচ্ছেন বা তাদের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন তারাও আগামীতেও দলের কোনো মনোনয়ন পাবেন না। এদের বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো সংবাদ
এক ক্লিকে বিভাগের খবর